‘আ.ন.ম শফিকুল ইসলাম’ একজন লেখক ও সমাজসেবী। চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের রাজারামপুর এলাকার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আবদুল গফুর মিয়া (হুজরাপুরে গফুর মনজিল নিবাসী) প্রাক্তণ খামার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। ‘শফিকুল ইসলাম’ মাদ্রাসা থেকে ফাজিল পাস করেন, পরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে চাকুরিরত অবস্থায় বি,এ পাস করেন এবং একাউন্টেট পদে উন্নীত হন। তিনি ১৯৯২ সালে সরকারি চাকুরী থেকে অবসরগ্রহণ করেন।
‘আ.ন.ম শফিকুল ইসলাম’ তিনটি ঐতিহাসিক উপন্যাস লিখেছেন। যেগুলো মাসিক মদীনার সাপ্তাহিক পত্রিকা মুসলিম জাহানের ঈদ সংখ্যাগুলিতে ১৯৯৮- ২০০৪ সময়কালে প্রকাশিত হয়েছিলো। তন্মধ্যে ‘রোমান রাজকুমারী’ ১৯৯৯ সালে মদীনা পাবলিকেশন্স হতে প্রকাশিত হয়। মদীনা পাবলিকেশন্স এর কর্নধার মহিউদ্দীন খান লেখককে ঢাকায় তাঁর কার্যালয়ে আমন্ত্রন জানান এবং বইটি প্রকাশের অনাপত্তিপত্রে সই করান। লেখককে ১০টি বই দেয়া হয় এবং কিছু সম্মানী দেয়া হয়। পরে ২০০৩ সালে ‘একদা কৃষ্ণাতীরে’ বই আকারে প্রকাশিত হয়। ঈদ সংখ্যায় প্রকাশিত অন্য ঐতিহাসিক উপন্যাস অবশ্য বই আকারে প্রকাশিত হয়নি যেটির নাম ‘মোগল অঙ্গনা’। তাঁর প্রকাশিত অন্য দুটি সামাজিক উপন্যাস রয়েছে।
লেখক হিসেবে তাঁকে মদীনা পাবলিকেশন্স এর নিয়মিত পাঠকগণ চিনতেন, সর্বোপরি চাঁপাইনবাবগঞ্জের মদীনা পাবলিকেশনের একনিষ্ঠ পাঠক মাত্রই তাঁকে জানতেন। সে সময় সাপ্তাহিক মুসলিম জাহানের লেখকবৃন্দ ছিলেন ফরাজি জুলফিকার হায়দার, পুঠিয়ার অধ্যাপক শফিউদ্দিন সরদার, পাবনার জয়নুল আবেদীন মাহবুব, চাঁপাইনবাবগঞ্জের বীজহান তারিফ অপু প্রমুখ।
তাঁর রচনাসমূহ সে সময়ে মদীনা পরিবারের পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছিল। তিনি ২০২৫ সালে মরণোত্তর ‘ অন্বেষণ সাহিত্য পরিষদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ‘ সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন।
২০১৮ সালের ২রা আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর সুযোগ্য সন্তান ‘বীজহান তারিফ অপু’ কবি ও লেখক হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিচিতি লাভ করেছেন। {অসমাপ্ত…/ বিস্তারিত প্রকাশিতব্য গ্রন্থ- ‘আলোকিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ’ www.alokito-chapainawabganj.com (চাঁপাইনবাবগঞ্জের দু’শো বছর ইতিহাসের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সংক্ষিপ্ত জীবনী ১ম ও ২য় খণ্ড) লেখক- মাহবুবুল ইসলাম ইমন}