আবুল ফজল হক

বাংলাদেশের প্রথিতযশা রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড.আবুল ফজল হক ১৯৩৪ সালের ১ অক্টোবর চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সত্রাজিতপুরের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ইজ্জত হোসেন বিশ্বাস এবং মাতার নাম আবেদা খাতুন। পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৪ সাল এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৬৪ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত সাফল্য আর সুনামের সাথে শিক্ষকতা করেন প্রফেসর আবুল ফজল হক। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার (১৯৯৭-২০০১), সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান, সিনেট সদস্য, সহকারী প্রক্টরসহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে অসংখ্য গ্রন্থ রচনা, প্রবন্ধ-কলাম প্রভৃতির জন্য প্রাবন্ধিক-কলামিস্ট হিসেবে দেশব্যাপি খ্যাতি অর্জন করেন প্রফেসর ড.আবুল ফজল হক। ১.বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থা ও রাজনীতি- প্রথম প্রকাশ, বাংলা একাডেমী (১৯৭৪), ২.আন্তর্জাতিক আইনের মূল দলিল- প্রথম প্রকাশ, বাংলা একাডেমী (১৯৭৭), ৩. বাংলাদেশের রাজনীতি: সংঘাত ও পরিবর্তন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৯৪, ৪. বাংলাদেশ:রাজনৈতিক সংস্কৃতি- মাওলানা ব্রাদার্স ( ২০১৪), ৫. Bangladesh Polities: The Problem of Stability- হাককানী পাবি¬শার্স (২০১১) প্রভৃতি তাঁর উল্লেখ্যযোগ্য গ্রন্থ। এছাড়াও কানাডা-ভারতসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি জার্নালে এক ডজনের অধিক গবেষণামূলক প্রবন্ধসহ ১৯৯৫ থেকে ২০১২ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতি ও সাংবিধানিক বিষয়ে প্রফেসর আবুল ফজল হকের অসংখ্য কলাম/প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে দৈনিক বাংলার বানী, দৈনিক আজকের কাগজ, দৈনিক সংবাদ, দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক জনকন্ঠসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় সকল পত্র-পত্রিকায়।
বাংলাদেশ রাষ্ট্রবিজ্ঞান সমিতি, ঢাকার সাধারণ সম্পাদক (১৯৮৩-১৯৮৫), এডিটর, রাষ্ট্রবিজ্ঞান সমিতি পত্রিকা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি (১৯৯৭-২০০১), বঙ্গবন্ধু পরিষদ, রাজশাহী জেলার সাধারণ সম্পাদক (১৯৮৬-১৯৯৭) ও সভাপতি (১৯৯৭-২০০১) সহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত থেকে সমাজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর ড.আবুল ফজল হক। { অসমাপ্ত…/ বিস্তারিত প্রকাশিতব্য মূল গ্রন্থ- ‘আলোকিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ’ (চাঁপাইনবাবগঞ্জের দু’শো বছর ইতিহাসের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সংক্ষিপ্ত জীবনী) }